Humans are aliens. They have lost Earth and are living on a dwarf planet.

The fake science of the current civilization's singularity concept, which has created a twin earth by losing the twin earth or the twin ground and twin sky of the planetary twin field, is called the dwarf twin planetary field, whose dark matter twin is clearly visible in contrast.


The fake science of the current civilization's singularity concept, which has created a twin earth by losing the twin earth or the twin ground and twin sky of the planetary twin field, is called the dwarf twin planetary field, whose dark matter twin is clearly visible in contrast. And among them, hybrid animal and plant life that has become alien twins from humans is roaming. Their twin bodies do not have any mineral twin elements of the earth. How else will it exist? Wherever you look, all the soil is being given chemicals and which organisms are suitable for living in those chemicals are being created by genetic modification. Which are not organisms of the earth. Thus, the hybrid and the twin sky along with the soil are also hybrids. This is a continuous process. Which is the habitat of the dwarf alien. The twin is running in anti-spin with the body of the earth. Their size in this planetary twin field was very small before. Now it is about to be half. The number of twin continents or twin territories that have lost their number during the 6 seasons in a year has been blocked, which means that the planet of the lost season has become a twin dwarf in their eyes. But for those who live in ice states such as Sweden, Norway, large areas of Russia, Canada or Alaska, the calculation of seasons is not necessary because they have given birth to Atlas 3I by living in these regions or have started living by turning the twin moon into anti-spin. Not only that, those who travel by ship on the sea, if they go to sea like this for a whole year or even for a day, they create Atlas or board a plane and make Atlas bigger. Or if they create industry, produce electricity, Atlas is created anew. Take a technology, mobile also creates Atlas Twin. Even if you draw water in a machine, it is Atlas and this water is Atlas Twin for any need of the living body. Freezing Atlas or creating a warm environment by lighting a fire in ice is also Atlas Earth. Growing crops with polythene in the ground and drawing water in a machine is also Atlas 3I. This is the twin cutting of the position of Uranus and Venus and creating a midnight's full moon at the same voltage according to Planck theory. Electric twin field is being operated on the total dwarf planet. That is, it is said that aliens in dwarfs never have afternoon and morning. That means they have cut the world of twin carbon and made it naked.

In South and Southeast Asia, what was once a twin carbon world is being hit by the black hole anti-field of twin storms. That is, what used to hit Japan, China, Europe, North America, Australia, and the twin oceanic tornadoes or cyclones is now hitting South and Southeast Asia. Planetary twin fields on the way to a great catastrophe. It is always said that it is not good to see the opposite space. Seeing the opposite space in reality means that those territories will be destroyed and extinct.

The electron twin spin carries the positron black hole spin field. Now the electron's spinning direction and the positron's anti-direction spinning which is the proton twin. Now the two opposite spinning of the electron and positron seen together means that humanity is seeing twin black hole spinning fields in the galaxy and saying that they have discovered such things as scientists. These are people of inferior talent. For which territories are twin black hole tornadoes normal? Those who are actually facing damage in their environment by these two have seen the twin spin of the electron and positron together and are creating a fake physics civilization. The formation of the entire creation is of the twin black hole field. The truth of this has not been touched even in five years by the fake Nobel Committee or the fake Western University or the Western model educational institution. All creations are twins, meaning that dark matter is always invisible naturally. Now some people are saying recently that they have seen and discovered dark matter with their eyes.

In fact, it is seen the way it is analyzed. It means that destruction is inevitable only because of ignorance of science. May Allah Almighty guide us. Amen. Juboraj/2025.11.30


মানুষই এলিয়েন। পৃথিবী হারিয়ে ফেলে ডোয়ার্ফ প্ল‍্যানেটে বসবাস করছে

বর্তমান সভ‍্যতার সিঙ্গুলারিটি কনসেপশনের ফেক বিজ্ঞান টুইন পৃথিবী হারিয়ে বা প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডের টুইন গ্রাউন্ড ও টুইন আকাশ হারিয়ে যে টুইন পৃথিবী তৈরি করেছে তাকে ডোয়ার্ফ টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ড বলে যার ডার্ক ম‍্যাটার টুইন বিপরীতে স্পষ্ট দেখা যায়। আর এদের মধ‍্যে বিচরন করছে মানুষ থেকে এলিয়েন টুইন হয়ে যাওয়া হাইব্রিড প্রাণীজগত ও উদ্ভিদ। এদের টুইন বডিতে পৃথিবীর কোনো খনিজ টুইন উপাদান নেই। আর থাকবেইবা কিভাবে? যেদিকে তাকাবেন যে দিকেই যাবেন সব মাটি কেমিক‍্যাল দেওয়া এবং সেই কেমিক‍্যালে কোন কোন জীব বসবাস উপযোগী তা জীনগত পরিফর্তন করে তৈরি করা হচ্ছে। যা পৃথিবীর জীব নয়। এভাবে হাইব্রিড এবং মাটিসহ টুইন আকাশও হাইব্রিড। এটি কনটিনিউয়াস প্রসেস। যা ডোয়ার্ফ এলিয়েনের আবাসস্হল। এন্টি স্পিনে চলছে টুইন পৃথিবীর বডির সাথে। এই প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডে ওদের আয়তন আগে খুব কম ছিলো। এখন প্রায় অর্ধেক হতে চলেছে। যেসব টুইন মহাদেশ বা টুইন টেরিটোরি ৬ ঋতুর মধ‍্যে যে কয়টি হারিয়েছে বছরে তাদের সেই সংখ‍্যার টুইন প্ল‍্যানেটারি বিম আসার পথ বন্ধ হয়ে গেছে মানে ওদের চোখে হারানো ঋতুর প্ল‍্যানেট টুইন ডোয়ার্ফ হয়ে গেছে। কিন্তু যারা বরফ রাজ‍্যে বসবাস করছে যেমন সুইডেন নরওয়ে রাশিয়ার বৃহৎ এলাকা,কানাডা কিংবা আলাস্কা তাদের ক্ষেত্রে ঋতুর হিসাব প্রযোজ‍্য নয় এজন‍্য যে তারা এসব অঞ্চলে বসবাসের দ্বারা এটলাস 3I এর জন্ম দিয়েছে বা টুইন চাঁদকে এন্টি স্পিনে ঘুরিয়ে বসবাস শুরু করেছে। শুধু তাই নয় যারা সমুদ্রে জাহাজ নিয়ে চলে সারা বছর কিংবা একদিনও যদি সমুদ্রে এভাবে যায় এটলাস তৈরি করে কিংবা প্লেনে চড়ে যায় এটলাস তৈরি করে বড় করে। অথবা ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করলে, বিদ‍্যুত উৎপাদন করলেও এটলাস নতুন করে তৈরি হয়। একটি প্রযুক্তি ধরুন মোবাইলও এটলাস টুইন তৈরি করে। মেশিনে পানি তুললেও এটলাস এবং এই পানি জীবদেহের যেকোনো প্রয়োজনে এটলাস টুইন। ফ্রিজিং করা এটলাস কিংবা বরফে আগুন জ্বালিয়ে গরম পরিবেশ তৈরি করে বসবাস করাও এটলাস পৃথিবী। মাটিতে পলিথিন দিয়ে শস‍্য উৎপাদন করা আর মেশিনে পানি উত্তোলন করাও এটলাস 3I। এটি ইউরেনাস ভেনাসের অবস্হানকে টুইনভাবে কেটে পূর্নিমা তৈরি করে একই ভোল্টেজে প্ল‍্যাঙ্ক থিওরি মোতাবেক ইলেক্ট্রিক টুইন ফিল্ড পরিচালনা করা হচ্ছে টোটাল ডোয়ার্ফ প্ল‍্যানেটে। অর্থাৎ বলা হয়েছে যে ডোয়ার্ফে এলিয়েনদের কখনো বিকাল এবং সকাল হয় না। মানে এরা টুইন কার্বনের পৃথিবী কেটে ফেলে উলঙ্গ করে ফেলেছে।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় কিছুটা টুইন কার্বনের পৃথিবী যা ছিলো এসবকে টুইন ঝড়ের ব্ল‍্যাক হোল এন্টি ফিল্ড আঘাত করছে। মানে যা জাপান চীনসহ ইউরোপ উত্তর আমেরিকা অস্ট্রেলিয়ার টুইন সামদ্রিক টর্নেডো বা সাইক্লোনের আঘাত করতো এখন তা দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াকে আঘাত করতে শুরু করেছে। মহাদূর্যোগের পথে প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড। সব সময় বলে আসা হচ্ছে বিপরীত স্পেস দেখা ভালো নয়। বিপরীত স্পেস বাস্তবে দেখা মানে সেসব টেরিটোরি ধ্বংস ও বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

ইলেক্ট্রন টুইন স্পিন পজিট্রন ব্ল‍্যাক হোল স্পিন ফিল্ড বহন করে। এখন ইলেক্ট্রনের যে স্পিনিং ডাইরেকশন এবং পজিট্রনের এন্টি ডাইরেকশনের স্পিনিং যা প্রোটন টুইন। এখন ইলেক্ট্রন ও পজিট্রনের দুই বিপরীত স্পিনিং এক সাথে দেখা মানে গ‍্যালাক্সীতে টুইন ব্ল‍্যাক হোল স্পিনিং ফিল্ড দেখছে মানবস‍ভ‍্যতা এবং বলছে যে ওরা বিজ্ঞানী বলে এমন আবিস্কার করেছে। এসব নিকৃষ্ট মেধার মানব। জোড়া ব্ল‍্যাক হোল টর্নেডো কোন্ কোন্ টেরিটোরির জন‍্য স্বাভাবিক হয়ে আছে? যারা এই দুটি দ্বারা বাস্তবে নিজেদের পরিবেশে আঘাতের সম্মুখীন হয়ে আছেন তারাতো ইলেক্ট্রন ও পজিট্রনের টুইন স্পিন এক সাথে দেখতে পেয়েছেন এবং ভূয়া ফিজিক্স সভ‍্যতা তৈরি করে আছেন। সমগ্র সৃষ্টির ফর্মেশন টুইন ব্ল‍্যাক হোল ফিল্ডের। এর সত‍্যতা পাঁচ বছরেও গায়ে লাগেনি ভূয়া নোবেল কমিটির বা ভূয়া পাশ্চাত্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কিংবা পাশ্চাত্য মডেলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। সব সৃষ্টি টুইন মানে একটি সব সময় ডার্ক ম‍্যাটার ইনভিজিবল স্বাভাবিকভাবে। এখন কেউ কেউ ইদানিং বলছে ডার্ক ম‍্যাটার চোখে দেখেছে এবং আবিস্কার করেছে।

আসলে যেভাবে বিশ্লেষন হলো সেভাবে দেখা যায়। মানে ধ্বংস অনিবার্য শুধু বিজ্ঞান না বুঝে অশিক্ষার কারণে। মহান আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুন। আমিন।

যুবরাজ /৩০.১১.২০২৫