Forest animals are beautiful in the forest, like children in their mother's arms.

Forest animals are beautiful in the forest, like children are in their mother's arms. This quote by Ishwarchandra Vidyasagar is deeply meaningful.


Forest animals are beautiful in the forest, like children are in their mother's arms. This quote by Ishwarchandra Vidyasagar is deeply meaningful.

Humans are destined to live on the plains, what will happen if humans remove snow from mountains, remove trees, and remove species and live against nature? It will not happen. Again, where humans live, they classify plants and species to live there, and then when they are created there, they can live. Humans are doing the complete opposite. First, they destroy water bodies and build roads for urban communication, and then they run there and live.

The direction in which the power lines go spins, and the planetary twin field is created by the length of the ionosphere, and the electric lines spin in the anti-spin direction of that direction. The artificial magnetic twin field is being created, which is the cause of the destruction of the twin earth. Present-day humanity is learning to live like this through schools, colleges, and universities. While the administration at all levels is silent. Where ice covers and creates a solid layer, who told humans to go there and build laboratories or live?

The internationalization society has shown that people are more uneducated than the uneducated, using any international border as they please.Who asked you to take a ship to the depths of the ocean and build a laboratory? The liquid twin layer or stratosphere twin of the ocean is being destroyed. Who asked you to set up a laboratory in space? When the mesosphere twin has been destroyed. All together, the three twin layers of the atmosphere are being destroyed, which although the atmosphere is apparently in the twin sky, the inner twin sky of the earth has also been destroyed. Whatever the twin sky is, on the contrary, the twin beam of the solid liquid and gaseous three-phase mineral planet.

When you look around from a 100-story building or a mountaintop, your horizon goes as far as it can go, and then it stops where the fission-fusion twin reaction has gone up both downwards and upwards. That means there is nothing but the twin sky. If you want to see further, you have to look through a telescope. But this garbage will show you a little further away, but what else is the benefit of it? Fission-fusion twin reaction concentrates, meaning you look a little further towards the twin cores of the twin planetary field.

That means all the laboratories in this world are doing the same thing at the same time. The United States is spinning in reverse, this is not only applicable to the United States. It is applicable to all the universities and laboratories. Check all the capitals or cities that have ports or cantonments with ammunition, fighter jets or airfields or inside factories or where chemicals have been put in crop fields for a long time or where these are stored. Even if there is minimal light of education, they should flee from them. And all the universities in the world should be closed.

The university compound has lost the ability to produce charges to carry so many private cars or vehicles after its birth. Some oxygen is being shown by creating plants. But in the same place where the twin artificial charges of Total University are being used, the carbon twin charges of these plants are becoming anti-fields and hybridizing. There you will see that there are no insects inside the soil. And the insects that are being created are anti-body poisonous. And thus, the creation of university civilization is like poisonous kit moths, unlike the humans or insects of the twin world.

For example, the Israelis are terrible insects, like the Americans and they are completely uneducated. These uneducated nations have lost the knowledge of where they are going by turning this planetary twin field in the opposite direction. If a laboratory cuts the planetary twin field, where will the laboratory go. Even a class one student will be able to answer this and understand that if you are going towards the twin core, how much time is left to get the twin ionosphere and twin core of midday and midnight?

If these places are to be created, they will melt the current civilization into twin bodies like synthetic cotton Juboraj/2025.11.27


বনের প্রাণী বনে সুন্দর, শিশুরা যেমন মায়ের কোলে

বন‍্যেরা বনে সুন্দর শিশুড়া মাতৃক্রোড়ে। (বনের প্রাণী বনে সুন্দর শিশুরা সুন্দর মায়ের কোলে)।গভীর তাৎপর্যপূর্ন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ‍্যাসাগরের এই উক্তি।

মানুষের বসবাস সমতলে নির্ধারিত, মানুষ যদি পাহাড়ে বরফ সরিয়ে, গাছপালা সরিয়ে, স্পেসিস সরিয়ে প্রকৃতির বিরুদ্ধে বসবাস করতে চায় তাহলে হবে কি? হবে না। আবার মানুষ যেখানে বসবাস করবে সেখানে বসবাসের জন‍্য উদ্ভিদ ও স্পেসিসের শ্রেণীবিন‍্যাস করে এরপর সেখানে তা তৈরি হলে বসবাস করা যায়। মানুষ করছে পুরোপুরি উল্টা। আগে উদ্ভিদ জলাশয় ধ্বংস করে নগর যোগাযোগের রাস্তা তৈরি করে এরপর সেখানে দৌড়ে গিয়ে বসবাস করছে।

বিদ‍্যুতের লাইন যেখানে যে পথে চলে গেছে সেটি যে ডাইরেকশনে স্পিন করে আয়নোস্ফেয়ারের দৈর্ঘ‍্য দ্বারা প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড নির্মাণ হয় সেই ডাইরেকশনের এন্টি স্পিনে বৈদ‍্যতিক লাইন। কৃত্রিম ম‍্যাগনেটিক টুইন ফিল্ড যেখানে তৈরি হচ্ছে সেটিই টুইন পৃথিবীর ধ্বংসের কারণ হচ্ছে। বর্তমান মানবজাতি স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ‍্যমে এভাবে বসবাস করার শিক্ষা গ্রহন করছে। যখন সকল পর্যায়ের প্রশাসন নীরব। বরফ যেখানে আচ্ছাদন করে কঠিন স্তর তৈরি করছে, কে বলেছে মানুষকে সেখানে গিয়ে গবেষনাগার তৈরি করতে কিংবা বসবাস করতে?

আন্তর্জাতিকীকরণ সোসাইটি আন্তর্জাতিক যেকোনো সীমারেখাকে যেমন খুশি তেমনভাবে ব‍্যবহারে অশিক্ষিতদের চেয়েও অশিক্ষিত মানুষের পরিচয় দিয়েছে। সমুদ্রের গভীরে কে আপনাকে জাহাজ নিয়ে গিয়ে গবেষণাগার তৈরি করতে বলেছে? সমুদ্রের তরল টুইন লেয়ার বা স্ট্রাটোস্ফেয়ার টুইন ধ্বংস করা হচ্ছে। স্পেসে আপনাকে কে গবেষনাগার স্হাপন করতে বলেছে? যখন মেসোস্ফেয়ার টুইন ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। সকলে একসাথে বায়ুমন্ডলের তিনটি টুইন লেয়ার ধ্বংস করছে যা বায়ুমন্ডল আপাত দেখতে টুইন আকাশে হলেও ভূমির অভ‍্যন্তরীণ টুইন আকাশও ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। যাহাই টুইন আকাশ তাহাই বিপরীতভাবে শক্ত তরল ও বায়বীয় তিন অবস্হার খনিজ প্ল‍্যানেটের টুইন বিম।

আপনি একটি ১০০ তলা ভবন থেকে বা পাহাড়ের উঁচুতে দাঁড়িয়ে যখন চারিদিক দেখছেন আপনার দূষ্টিসীমা যতোদূর যায় এরপর আর যায় না যেখানে তাই নীচের দিকে এবং উপরের দিকে একসাথে ফিশন ফিউশন টুইন বিক্রিয়ায় উঠে গেছে। মানে টুইন আকাশ ছাড়া আর কিছুই নেই। আপনি যদি আরও দূরে দেখতে চান তাহলে টেলিস্কোপের চোখে দেখতে হবে। কিনতু এই আবর্জনা আপনাকে আরও কিছুটা দূরে দেখাবে কিন্তু এতে আপনার দ্বারা আর কি লাভ হয়েছে। ফিশন ফিউশন টুইন বিক্রিয়া কনসেন্ট্রেড করে মানে আপনি টুইন প্ল‍্যানেটারি ফিল্ডের টুইন কোরের দিকে কিছুটা এগিয়ে গিয়ে দেখলেন।

মানে এই পৃথিবীর যতো গবেষণাগার সকলে একযোগে একই কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র উল্টা স্পিনে ঘুরছে এটি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন‍্য প্রযোজ‍্য নয়। যতো বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাগার রয়েছে সকলের জন‍্য প্রযোজ‍্য। পরীক্ষা করে দেখুন যতো রাজধানী বা শহর বন্দর রয়েছে কিংবা ক‍্যান্টনমেন্টের খোলাবারুদ ফাইটার জেট কিংবা উড্ডয় ক্ষেত্র কিংবা কারখানার অভ‍্যন্তর অথবা দীর্ঘসময় ফসলের জমিতে কেমিক‍্যাল দিয়েছেন অথবা এসবের মজুদ যেখানে সেখানে কোর দেখুন। শিক্ষার আলো মিনিমাম থাকলেও সেসব ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার কথা। আর পৃথিবীর সকল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার কথা।

এতো প্রাইভেট কার কিংবা যানবাহন বহনের চার্জ উৎপাদনের ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কোম্পাউন্ড ওর জন্মের পর মাতৃক্রোড় টুইন কার্বন পৃথিবী হারিয়ে ফেলেছে। গাছপালা তৈরি করে দেখানো হচ্ছে কিছু অক্সিজেন আসছে। কিন্তু টোটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের যে টুইন কৃত্রিম চার্জ ব‍্যবহৃত হচ্ছে একই স্হানে সেখানে এসব উদ্ভিদের কার্বন টুইন চার্জ এন্টি ফিল্ড হয়ে হাইব্রিড হয়ে চলছে। সেখানে দেখবেন মাটির অভ‍্যন্তরে পোকামাকড় নেই। আর যেসব পোকামাকড় তৈরি হচ্ছে তা এন্টি বডি বিষাক্ত। আর এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় সভ‍্যতার সৃষ্টি মানবজাতিও বিষাক্ত কিট পতঙ্খের ন‍্যয়। এরা টুইন পৃথিবীর মানুষ বা পোকা মাকড়কেও ভয় পায়।

যেমন ইসরাইলী ভয়ঙ্কর পোকামাকড়, মার্কিনীদের মতো এবং এরা আপাদমস্তক অশিক্ষিত। এই প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ডকে উল্টা দিকে ঘুরাতে ঘুরাতে এখন কোথায় যাচ্ছে সেই জ্ঞানটুকু হারিয়ে ফেলেছে এসব অশিক্ষিত জাতি। একটি গবেষাণাগার প্ল‍্যানেটারি টুইন ফিল্ড কেটে ফেললে গবেষণাগারটি কোথায় যাচ্ছে। এটি ক্লাস ওয়ান লেবেলের ছাত্রও উত্তর দিতে পারবে এবং বুঝবে যে, টুইন কোরের দিকে হলে মধ‍্য দিন ও মধ‍্য রাতের টুইন আয়নোস্ফেয়ার ও টুইন কোর পেতে কতোটা সময় বাঁকি আছে?

এসব স্হান তৈরি হতে হলে সিনথেটিক তুলার মতো টুইন বডি করে গলিয়ে ফেলবে বর্তমান সভ‍্যতাকে। যুবরাজ /২৭.১১.২০২৫