Ethiopian volcanic clouds
Our twin troposphere stratosphere twin and mesosphere twin three-layer ground-sky opposite magnet sky ground twin one hemisphere and opposite hemisphere also do not pair up even when the magnets are paired in opposite directions because something in the opposite space either towards the sky or towards the ground is neutralizing or inactivating our twin charge
Our twin troposphere stratosphere twin and mesosphere twin three-layer ground-sky opposite magnet sky ground twin one hemisphere and opposite hemisphere also do not pair up even when the magnets are paired in opposite directions because something in the opposite space either towards the sky or towards the ground is neutralizing or inactivating our twin charge. That obstacle is the anti-twin field of the twin sky or the anti-twin field of the ground. And this is the black hole or chargeless present tense. When we create this twin field anti-field twin charge or artificial electricity, we cut the twin ground and create a twin sky or hole. If we travel exactly towards the twin sky, we get planetary twin bodies in the opposite direction. Which means that if you break through the ground, you will find the sky and if you break through the sky, you will find the ground. Practical examples of such theories have been given many times.
When you walk on the night of the Twin Moon, your shadow falls on the dark surface of the Twin Moon. When you turn on the light, there is no shadow. Atlas 3I is giving birth to the light and shadow of the Twin Moon, the current university civilization is not blessed with the light and shadow.
Ethiopia is the twin of the African continent and Asia, two opposite planetary twins (since the planetary twin classification is different). The twin mountains of the two continents are spinning in opposite directions, positive negative negative positive, so the black hole twin field magnet and dark matter twin anti-spinning field are connected together to form the troposphere stratosphere twin ground and twin sky. As a result, naturally the twin sky of both of these is also in the anti-spinning field. As a result, whatever is coming out of the twin crater of the Ethiopian volcano eruption, some ash will be seen in the sky on the neighboring twin continent. Which is rising from the ground to the sky in opposite directions, between the two. In the next world, it will go from the sky to the ground. This is the emergence of the twin earth division line. Wherever such sulfide twin field clouds are being absorbed, they will become anti-fields and will be opposite to DC and AC. From here, it will create sudden rain or storms. The twin carbon in the ionosphere twin will destroy the earth and create an anti-field. It will create earthquakes. It will create electrical short circuits. It will create wildfires. Like the western world, the alien dwarf will enlarge the twin field of the earth and the 3I Atlas. The acidic twin field or virus twin field will be more concentrated than the present or the UV twin field will be concentrated. The voltage supply of the seed production of the twin moon or the production of seedlings or the growth of the plant and animal world will decrease due to this twin quasar field which is the skeletal twin burning ash cloud etc. These twin gold ore or iron or such kind of twin mountain metal non-metallic materials are called burning ash or creating twin quasars. These twin ores of the twin core or twin ionosphere, which are invisible in the two rising and two falling sides of the twin quasar dark twin matter anti-spin, the balance of twin oxygen nitrogen in the air is at a safe distance due to the planetary twin field, are now being shown to uneducated mankind with divine eyes. And London, USA, is giving a fake story of a dormant volcano 12,000 years ago.
These anti-field twin matter is also consuming some parts of South and Southeast Asia where nature still exists. And the alien twin world is growing rapidly. The way war equipment is being made, these are being tested, the West is picking up and eating any mineral like a hyena, so at any moment you will see that the twin core and ionosphere have consumed any surface of the Western model and the twin toxic civilization will be extinct. Juboraj/2025.11.28
ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরির মেঘ
আমাদের টুইন ট্রপোস্ফেয়ার স্ট্রাটোস্ফেয়ার টুইন এবং মেসোস্ফেয়ার টুইন তিন তলের গ্রাউন্ -আকাশের বিপরীত ম্যাগনেটের আকাশ গ্রাউন্ড টুইন এক গোলার্ধ এবং বিপরীত গোলার্ধও বিপরীতভাবে ম্যাগনেট জোড়া লাগাতে গিয়েও জোড়া লাগে না এজন্য যে মাঝে বিপরীত স্পেসের কিছু একটা হয় আকাশের দিকে অথবা ভূমির নীচের দিকে আমাদের টুইন চার্জ নিউট্রাল বা ইনএক্টিভ করে দিচ্ছে । সেই বাধাটিই টুইন আকাশের এন্টি টুইন ফিল্ড অথবা গ্রাউন্ডের এন্টি টুইন ফিল্ড। আর এটিই ব্ল্যাক হোল বা চার্জ লেস বর্তমান কাল। এই টুইন ফিল্ডকে যখন আমরা এন্টি ফিল্ড টুইন চার্জ বা কৃত্রিম বিদ্যুত তৈরি করি তখন টূইন ভূমি কেটে টুইন আকাশ বেড় করি বা গর্ত তৈরি করি। ঠিক টুইন আকাশের দিকে ভ্রমণ করলে বিপরীত দিকে প্ল্যানেটারি টুইন বডিই পাই। যা মাটি ভেদ করলে আকাশ পাওয়া এবং আকাশ ভেদ করলে মাটি পাওয়া বুঝায়। এরকম থিওরির প্র্যাকটিক্যাল উদাহরন অনেকবির দেওয়া হয়েছে।
টূইন চাঁদের রাতে যখন পথ চলেন আপনার ছায়া পরে যা অন্ধকার টুইন চাঁদের পৃষ্ঠ। একে লাইট জ্বালালে ছায়া নেই এটলাস 3I এর জন্ম দিচ্ছেন বলে টুইন চাঁদের আলো ছায়া বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় সভ্যতার ভাগ্যে নেই।
ইথিওপিয়া আফ্রিকা মহাদেশ এবং এশিয়ার টুইন separate দুই বিপরীত পৃথক প্ল্যানেট টুইন (যেহেতু প্ল্যানেটারি টুইন শ্রেণীবিন্যাস পৃথক)। মহাদেশ দুটির টুইন ভিন্ন পাহাড় পাশাপাশি পজিটিভ নেগেটিভ নেগেটিভ পজিটিভ হয়ে পরস্পর বিপরীত ডাইরেকশনে স্পিন করছে বলে ব্ল্যাক হোল টুইন ফিল্ড ম্যাগনেট ও ডার্ক ম্যাটার টুইন এন্টি স্পিনিং ফিল্ড এক সাথে জোড়া লেগে আছে ট্রপোস্ফেয়ার স্ট্রাটোস্ফেয়ার টুইন গ্রাউন্ড ও টুইন আকাশ হয়ে। ফলে স্বাভাবিকভাবে এতদুভয়ের টুইন আকাশও এন্টি স্পিনিং ফিল্ডে আছে। ফলে ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের যা কিছু টুইন করো থেকে বেড়িয়ে আসছে পাশের টুইন মহাদেশে কিছু ছাইয়ের উদগীরণ আকাশে দেখা যাবে। পরস্পর বিপরীত ডাইরেকশনে পাশাপাশি দুইয়ের মধ্য যা মাটি থেকে আকাশে বেড় হচ্ছে। পরের পৃথিবীতে তা আকাশ থেকে মাটিতে যাবে। এটি টুইন পৃথিবীর বিভক্তি রেখার উদগীরন। এমন সালফাইড টুইন ফিল্ড মেঘ যেখানে যেখানে এবজর্ব হচ্ছে তা এন্টি ফিল্ড হয়ে ডিসি এসি বিপরীত হবে। এখান থেকে হঠাৎ বৃষ্টিপাত বা ঝড় তৈরি করবে। আয়নোস্ফেয়ার টুইনে টুইন কার্বন পৃথিবী ধ্বংস করে এন্টি ফিল্ড করবে। এতে ভূমিকম্প তৈরি করবে। বৈদ্যতিক শর্ট সার্কিট তৈরি করবে। দাবানল তৈরি করবে। পাশ্চাত্য পৃথিবীর মতো এলিয়েন ডোয়ার্ফ পৃথিবীর টুইন ফিল্ড এবং 3I এটলাস বড় করবে। এসিডিক টুইন ফিল্ড বা ভাইরাস টুইন ফিল্ড বর্তমানের চেয়ে আরও কনসেন্ট্রেড করবে বা ইউভি টুইন ফিল্ড কনসেন্ট্রেড হবে। টুইন চাঁদের বীজ উৎপাদনের ভোল্টেজ সরবরাহ বা চারা উৎপাদন বা উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের বংশ বৃদ্ধি কমে যাবে এই টুইন কোয়েসার ফিল্ড যা স্কেলেটাল টুইন পোড়ানো ছাই মেঘের দ্বারা ইত্যাদি। এসব স্বর্নের টুইন আকরিক বা লৌহার বা এমন ধরনের টুইন পাহাড়ের ধাতব অধাতব জ্বালিয়ে ছাই তৈরি করা বা টুইন কোয়েসার তৈরি করা বলে। টুইন কোরের বা টুইন আয়নোস্ফেয়ারের এসব টুইন আকরিক দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলে যে টুইন কোয়েসার ডার্ক টুইন ম্যাটার এন্টি স্পিনে অদৃশ্য থাকে বাতাসে টুইন অক্সিজেন নাইট্রোজেনের ব্যালান্স প্ল্যানেটারি টুইন ফিল্ডের কারণে নিরাপদ দূরত্বে থাকে তা এখন দিব্য চোখে অশিক্ষিত মানবজাতিকে দেখাচ্ছে। আর ভূয়া ১২০০০ বছর আগের সুপ্ত আগ্নেয়গিরির গল্প দিচ্ছে লন্ডন যুক্তরাষ্ট্র।
এসব এন্টি ফিল্ড টুইন ম্যাটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কিছু অংশে ন্যাচার এখনও আছে বলে এই অংশকেও গ্রাস করছে। আর এলিয়েন টুইন ওয়ার্ল্ড দ্রুত বড় হয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ সরঞ্জাম যেভাবে তৈরি হচ্ছে, এসবের পরীক্ষা হচ্ছে, যে কোনো খনিজ হায়েনার মতো তুলে খেয়ে ফেলছে পাশ্চাত্য তাতে যে কোনো মুহুর্তে দেখবে টুইন কোর ও আয়নোস্ফেয়ার পাশ্চাত্য মডেলের যে কোনো সারফেসকে গ্রাস করেছে আর টুইন বিষাক্ত সভ্যতার বিলুপ্তি ঘটবে। যুবরাজ /২৮.১১.২০২৫